অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়েছে। তিনি জানান, দলটিকে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকা থেকেও অপসারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী ব্যারনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার সরকারের প্রেস উইং এ তথ্য জানায়।
ড. ইউনূস জানান, নির্বাচন হবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে এবং এতে অংশগ্রহণকারী দল ও ভোটার উপস্থিতি দুই-ই উল্লেখযোগ্য হবে। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়া প্রায় দশ লাখ তরুণ এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন—যা গত দেড় দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তারা পাননি।
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সহযোগিতা, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, রোহিঙ্গা সংকট, এবং বিমান–নৌ পরিবহন খাতে সমন্বয়সহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই সনদ দেশের রাজনৈতিক পথচলায় নতুন অধ্যায় সূচনা করবে এবং গত বছরের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মানুষের প্রত্যাশাকে প্রতিফলিত করবে।’
ব্রিটিশ মন্ত্রী চ্যাপম্যান অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং জুলাই সনদকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক সংলাপকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যে আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।











