বিশ্বজুড়ে খবর, এক ক্লিকেই

October 25, 2026 2:35 pm
October 25, 2026 2:35 pm

ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদের ঘটনায় পুলিশের জিডি

অনিয়ম-দুর্নীতি ও দুর্গাপূজায় মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় পুলিশি নিরাপত্তা না দেওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (স্বতন্ত্র) রুমিন ফারহানা। থানার অভ্যন্তরে এমন ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে জিডির বিষয়টি জানাজানি হয়। ওসি মনজুর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি নন।

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আরাফাতুল ইসলাম। তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা উল্লেখ করে একটি জিডি করা হয়েছে। এটি কোনো অভিযোগ না৷ যেকোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলেই আমরা জিডি করে রাখি।

গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ঘটনাটি ঘটে। সরাইল থানা ভবনে ওসির সঙ্গে তার অনিয়ম-দুর্নীতি ও দুর্গাপূজায় মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় পুলিশি নিরাপত্তা না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ সময় তার সঙ্গে আসা নেতাকর্মীরাও উচ্চ কণ্ঠে ওসি মনজুরের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন রুমিন ফারহানা। পরে ওসির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান।

অভিযোগ আছে, দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলা হলেও ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া সেটি করেননি। নিরাপত্তা না দেওয়ার কারণ এবং ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর থানায় যান রুমিন ফারহানা। রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি থানায় ওসির কক্ষে অবস্থান করেন।

এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন ওসি তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ওসি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় এনেছেন বলে উল্লেখ করেন৷ এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা উত্তেজিত হয়ে মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে বলেন, ‘আপনি তো আওয়ামী লীগের চোর ওসি।’

তবে রুমিন ফারহানার অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া ওইদিন সাংবাদিকদের বলেন, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা ও মব তৈরি করেন। কিছু লোককে শিখিয়ে নিয়ে আসেন আজেবাজে কথা বলার জন্য।

ওসি বলেছেন, আমি ইটভাটা থেকে টাকা নিই। হাওরে সব ইটভাটা পানির নিচে। আর আমরা পূজায় পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ওনার সঙ্গে পুলিশের একটি টিম রাখা ওইসময় কঠিন ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *