শীতের নরম রোদ আর সমুদ্রের নীল জলরাশির টানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকের আগমনে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার। সপ্তাহের কর্মদিবস হলেও গতকাল রবিবার সৈকতে দেখা গেছে ছুটির দিনের ভিড়।
স্কুল-কলেজের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়া এবং শীতকালীন ছুটিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে। গতকাল তার ধরন দেখা গেছে।
জানা গেছে, শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের বেশির ভাগেই পর্যটকরা ভিড় করছেন। আবার বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবাসিক হোটেলগুলোতে রয়েছে আগাম বুকিং।
যশোর থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা ওবাইদুল হাসান গতকাল বলেন, ‘শীতকালের আবহাওয়া বেশ মনোরম। পরীক্ষা শেষ হওয়ায় বাচ্চাদের নিয়ে সময় বের করে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্রের পরিবেশ খুব উপভোগ করছি।
হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘প্রতিদিন দেড় লক্ষাধিক পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে শহরের আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বছরের শেষ দিকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি এবং এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পর্যটকের চাপ থাকবে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস বলেন, বড়দিনের ছুটি এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটবে। আগত সব পর্যটকের জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকরা কক্সবাজারে ভ্রমণ শেষে যাতে নিরাপদে নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে পারে, সে জন্য যা যা করণীয়, সব ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন।











