পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো জানায়, জরুরি বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে— প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দলীয় কার্যালয়ে গোপনে বা প্রকাশ্যে পতাকা উত্তোলন এবং ব্যানার নিয়ে ঝটিকা মিছিল করার চেষ্টা হতে পারে। নিষিদ্ধ দলটির এমন তৎপরতা দেখা দিলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ বা হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও আগাম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এই সংক্রান্ত নির্দেশনা পেয়েছি। তবে নির্দিষ্ট কোনো বড় থ্রেট বা হামলার আশঙ্কা নেই। এটি আমাদের নিয়মিত সতর্কতার অংশ।
গণ-আন্দোলন দমনে শত শত মানুষকে হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রমে আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এর মধ্যেও দেশের দু-একটি জায়গায় মাঝেমধ্যে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করতে দেখা গেছে, যা নিয়ে মাঠপর্যায়ে এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।











