নিহত প্রবাসীর নাম মছরব আলী (৫৪)।
সংঘর্ষের পরপরই পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, নিহত চারজনের মধ্যে তিনজন তরুণ। তারা হলেন—মোহাম্মদ জিব্রায়েল মুখতার (১৮), ফারহান প্যাটেল (১৮) এবং মোহাম্মদ দানিয়াল (১৯)। তিনজনই বোলটনের বাসিন্দা।
এ দুর্ঘটনায় আরো পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুইজন নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই থেকে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
নিহত মছরব আলী ব্র্যাকবার্ন এলাকায় বসবাস করতেন। তার প্রতিবেশী ও সহকর্মী উবারচালক আবুল কাশেম বলেন, ‘আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন।
খবর পেয়ে আমি তার বাসায় যাই। পরিবারের সবাই তখন বোলটন জেনারেল হাসপাতালে ছুটে গেছেন।’
তিনি বলেন, পুলিশের ময়নাতদন্ত শেষে আমরা কমিউনিটির পক্ষ থেকে লাশ আনার ব্যবস্থা করব। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। নিহত বাকি তিনজনও এশিয়ান মুসলিম যুবক।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দ ও গাড়ির ভয়াবহ ভাঙচুর দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকে দ্রুত জরুরি সেবায় ফোন করেন।
গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশের ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর অ্যান্ড্রু পেজ গণমাধ্যমকে জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ বিস্তৃত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক একটি ঘটনা এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি পুলিশ গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার সময়কার কোনো তথ্য, সিসিটিভি বা ড্যাশক্যামের ফুটেজ কারো কাছে থাকলে তা পুলিশের কাছে সরবরাহ করার আহ্বান জানাচ্ছি। এ দুর্ঘটনায় তিন তরুণসহ একজন টেক্সিচালক নিহত হয়েছেন।
টনারবোলটনের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, নিহত চারজনের একজনের পারিবারিক শিকড় বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে।











