মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলকে রক্ষা করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার দুর্দান্ত এক মুহূর্তের ঝলকেই পরাজয় এড়ায় সেলেসাওরা। তবে পুরো ম্যাচে আক্রমণে ধারাবাহিকতা এবং সৃজনশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট। বিশেষ করে ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে আসা রাফিনিয়া এখনও বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দেখাতে পারেননি।
প্রথম ম্যাচের পর ব্রাজিলের একাদশ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে হাইতির বিপক্ষে কয়েকটি পরিবর্তন আনতে পারেন আনচেলত্তি। আক্রমণভাগে হতাশ করা ইগর থিয়াগোর জায়গায় সুযোগ পেতে পারেন তরুণ সেনসেশন এন্দ্রিক। মরক্কোর বিপক্ষে বেঞ্চে বসে পুরো ম্যাচ কাটিয়েছিলেন তিনি।
অবশ্য প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে বারবার সতর্ক করা হয়েছে ব্রাজিল শিবিরে। কাগজে-কলমে বিশাল ব্যবধান থাকলেও এবারের বিশ্বকাপ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অঘটনের সাক্ষী হয়েছে। স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেওয়া কেপ ভার্দের উদাহরণ এখনও টাটকা।
তবে ইতিহাস ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। এর আগে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, তিনবারই জয় পেয়েছে ব্রাজিল। সেই তিন ম্যাচে ১৭ গোল করেছে সেলেসাওরা, হজম করেছে মাত্র একটি। দুই দলের একমাত্র প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৬ কোপা আমেরিকায়, যেখানে হাইতিকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল ব্রাজিল।
আর সমর্থকদের জন্য দুঃসংবাদ হলো, নেইমার এখনও পুরোপুরি ফিট নন। কাফের চোট থেকে সেরে উঠলেও তার গ্রুপ পর্বে মাঠে ফেরার সম্ভাবনা এখনো বেশ কম।











