পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) মার্জিনে শিথিলতা আনল বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা এখন থেকে নিজ বিবেচনায় গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এলসি মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সুবিধা আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়—যেমন চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর—এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেই শিথিলতার এই সুযোগ প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট বা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কমবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ এলসি মার্জিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। পরে নভেম্বর মাসে রমজানকে সামনে রেখে সাময়িকভাবে সেই সিদ্ধান্ত শিথিলের ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা এখন আরও সুসংগঠিতভাবে কার্যকর হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।










