চতুর্থ বলে চার মেরে প্রোটিয়াদের ম্যাচে রাখেন ট্রিসান স্টাবস। পরের বল ডট দিয়ে বিপদে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। এক বলে তখন প্রয়োজন ৭ রান। শেষ বলে স্টাবসের ছয়— মানে সুপার ওভারও টাই! ক্রিকেটের নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবারও খেলতে হবে সুপার ওভার।
এবার প্রথমে ব্যাট করে প্রোটিয়ারা। আফগান বোলার আজমতের প্রথম বলে ছয় মেরে শুরু করেন স্টাবস। পরের বলে সিঙ্গেল নিলে স্ট্রাইকে আসেন মিলার। তৃতীয় বলে ডাবলের পর চতুর্থ বলে ছয় মারেন মিলার। পঞ্চম বলে আবারও মাঠের বাইরে বল। শেষ বলে ডাবল নিলে ২৩ রানে শেষ হয় আফগানদের দুঃস্বপ্নের সুপার ওভার।
২৪ রানের লক্ষ্যে এবার অনেকটা চাপের মধ্যেই মাঠে নামে আফগানিস্তান। এবার বল হাতে সামনে আসেন কেশব মহারাজ। প্রথম বল মিস করেন আফগান ব্যাটার মোহাম্মদ নবি। পরের বলেই আউট হন তিনি। এতে অনেকটা নিশ্চিতভাবেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় আফগানিস্তান।
চার বলে যখন ২৪ রান দরকার তখন টানা তিন বলে ছয় মারেন গুরবাজ! এতে শেষ বলে দরকার হয় মাত্র ৬ রানের। তখনই ওয়াইড দেন মহারাজ। এতে চার মারলেই আবার টাইয়ের সমীকরণ দাঁড়ায় আফগানিস্তানের সামনে। আর ছয় মারলেই জয়।
শেষ বলে মারতে গেলে গুরবাজ ক্যাচ আউট হলে শেষ হয় মহানাটকীয় এই ম্যাচ। আর দ্বিতীয় সুপার ওভারে অবশেষে ৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর আগে ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে কুইন্টন ডি ককের ৫৯ ও রায়ান রিকেলটনের ৬১ রানের ওপর ভর করে ১৮৭ রান তোলে সাউথ আফ্রিকা। জবাবে রহমাতুল্লাহ গুরবাজের ৪২ বলে ৮৪ রানের ঝোড়ো ইনিংসের ওপর ভর করে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ড্র করে আফগানরা।











