বিশ্বজুড়ে খবর, এক ক্লিকেই

April 16, 2026 10:36 am
April 16, 2026 10:36 am

ঈদের পরও স্বস্তি নেই বাজারে

ঈদের পরও স্বস্তি নেই রাজধানীর বাজারে। অনেক দোকান এখনো খোলেনি, বাজারের ভিড়ও স্বাভাবিক দিনের মতো নয়। কিন্তু ক্রেতা কম থাকলেও দামে তার কোনো প্রভাব নেই। বরং বেশির ভাগ নিত্যপণ্যেই দেখা যাচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।

রাজধানীর মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখনো পুরোপুরি সক্রিয় হননি অনেক ব্যবসায়ী। এতে সরবরাহে তৈরি হয়েছে ঘাটতি। অন্যদিকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে অনেক ক্রেতা এখনো ঢাকায় ফেরেননি। ফলে বাজারে লেনদেন কম।
কিন্তু দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই।বিক্রেতারা বলছেন, বাজার এখনো পুরোপুরি সচল হয়নি। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা বাড়তি, আর খুচরা বাজারে তারই প্রভাব পড়ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই পুরোপুরি ফিরে এলে বাজারে কিছুটা স্থিতি আসতে পারে।

সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে মুরগির বাজারে। ঈদের আগ থেকেই মুরগির দাম বাড়তি। সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩৫০ টাকায়, যা আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। লেয়ার মুরগিও পৌঁছেছে ৩৭০ টাকায়। দেশি মুরগির কেজি ৭০০ টাকা।

তুলনামূলক কম দামের ব্রয়লারও ২০০-২২০ টাকার নিচে নামছে না। বিক্রেতারা বলছেন, খামার থেকে বাজার পর্যন্ত পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব সরাসরি এসে পড়ছে বাজারে।এদিকে গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, আর খাসির মাংস এখনো ১ হাজার ২০০ টাকার আশপাশে। রুই মাছের কেজি ৩০০-৩৫০, কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির কেজি ৬৫০-৭৫০ টাকা। মাঝারি আকারের কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদার কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা। চালের মধ্যে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৮৫-৮৮ ও রশিদ মিনিকেট ৭৫-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। সবজির বাজারেও মিলছে না স্বস্তি। বেশির ভাগ সবজির দাম ঈদের আগেই বেড়েছে। ঢ্যাঁড়শ, করলা, বেগুন প্রায় সব ধরনের সবজির বাড়তি দাম। করলা ১৬০, বরবটি ৮০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, ধুন্দল ৭০-৮০, পটোল ৮০, কাঁচা মরিচ ১৪০-১৬০, পেঁপে ৪০, মিষ্টিকুমড়া ৪০, দেশি শসা ৭০, হাইব্রিড শসা ৬০, শিম ৪০-৫০, টম্যাটো ৩০-৫০, গাজর ৫০-৬০ এবং মুলা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউয়ের পিস ৭০-১০০ টাকা। তবে পিঁয়াজ ও আলুর দাম তুলনামূলক কম। পিঁয়াজ ৪০-৫০ এবং আলু ২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *