এই মিসের পর বিশ্বকাপে নেওয়া ৮টি পেনাল্টির ৪টিই হাতছাড়া করার এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।
২ গোল হজম করার পর যেন খ্যাপাটে বাঘের মতো জেগে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ঘুরে দাঁড়ানোর মহাকাব্য শুরু হয়। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়া ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির চমৎকার ক্রসে এক দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান ২-১ করেন। মিশরীয় গোলরক্ষক হাত ছোঁয়ালেও বলের গতি রোধ করতে পারেননি। মিশর ডিফেন্ডাররা অফসাইডের দাবি তুললেও তা নাকচ হয়ে যায়।
ঠিক ৪ মিনিট পর, ম্যাচের ৮৪ মিনিটে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে মাতান মহাতারকা লিওনেল মেসি। জোরালো এক শটে গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বল বারের নিচের অংশ ছুঁয়ে জালে জড়ালে ২-২ সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির ৮ম গোল এবং এর মাধ্যমে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অতিমানবীয় কৃতিত্ব অর্জন করলেন এলএমটেন।
তবে নাটকের শেষ অঙ্ক তখনো বাকি ছিল। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯২ মিনিটে) আর্জেন্টিনার এক গতিময় পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের মাঝখানে বল পান এনজো ফার্নান্দেজ। বদলি নামা লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত অ্যাসিস্টে চমৎকার এক হেডে মিশরের জাল কাঁপিয়ে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এনজো। ১৫ মিনিটের ব্যবধানে ৩ গোল হজম করে ততক্ষণে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে মিশর। শেষ পর্যন্ত এই অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।











