আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ৬৭ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় সুইজারল্যান্ড। বাঁ দিকে রদ্রিগেজের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে পড়েন এনদোয়ে। কোণাকুনি শটে পরাস্ত করেন মার্তিনেসকে। বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ালে উল্লাসে মাতে সুইস শিবির।
গোল করার ঠিক ৫ মিনিট পর বড় ধাক্কা খায় সুইজারল্যান্ড। ফাউলের অভিনয় করার দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস ফরোয়ার্ড এম্বোলোর। এর আগে ৬৯ মিনিটে রেফারি লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখালেও, ভিএআর রিভিউতে দেখা যায় দুজনের মধ্যে কোনো সংস্পর্শই হয়নি। ফলে ফাউলের অভিনয় করায় শাস্তি পান এম্বোলো।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের ওপর আক্রমণের স্টিমরোলার চালায় আর্জেন্টিনা। ৯০ মিনিটে নিকো গঞ্জালেজের ক্রস থেকে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
যোগ করা সময়ে বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান দিকে কাট ইন করে জোরালো শট নেন মেসি। কিন্তু বলটি বিপজ্জনকভাবে বাঁক খেয়ে পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে মেসির কর্নার থেকে বক্সের ভেতর জটলার সৃষ্টি হলে লিসান্দ্রো মার্তিনেস একটি অ্যাক্রোবেটিক কিক নেন। তবে সুইস কিপার কোবেল সহজেই তা লুফে নিলে সমতাতেই শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা।











