শক্তিমত্তা, ইতিহাস, র্যাংকিং, সাম্প্রতিক ফর্ম—সবকিছুতে দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে ঢের এগিয়ে ছিল মেক্সিকো। তার ওপর ম্যাচের লম্বা একটা সময় আফ্রিকার দলটিকে খেলতে হয়েছে কম খেলোয়াড় নিয়ে।
এ জয়ে আজতেকায় বিশ্বকাপের ম্যাচে অজেয় থাকার রেকর্ডটা অক্ষুণ্ন রাখল মেক্সিকো (৬ জয়, ২ ড্র)।
ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইলতন সাম্পাইয়ো ম্যাচে লাল কার্ড বের করেছেন তিনবার।
ম্যাচের শুরু থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণে দক্ষিণ আফ্রিকানদের তটস্থ রেখেছে মেক্সিকানরা।
অনেক নতুনত্বের এই বিশ্বকাপে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক (পানি পানের বিরতি) দেখা গেছে ম্যাচের ২৫ মিনিটে। এরপর আরো ছন্দময় ফুটবল খেলেছে মেক্সিকো। কিন্তু আরো কয়েকবার দক্ষিণ আফ্রিকার গোলকিপার উইলিয়ামস দেয়াল তুলে দাঁড়ালে প্রথমার্ধে দ্বিতীয় গোলটা পাওয়া হয়নি।
খেলায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির শুরু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে। ৫০ মিনিটে মেক্সিকোর ব্রায়ান গুতিয়েরেসকে ফেলে দিয়ে লাল কার্ড দেখেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিথোল।

১০ জনের দলে পরিণত হওয়া অতিথিরা বলতে গেলে তখনই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। হিমেনেজ সেই সুযোগেরই সদ্ব্যবহার করেন ৬৭ মিনিটে হেডে দারুণ এক গোল করে।
ঠিক এর ১ মিনিট আগে বদলি নেমে ইতিহাস গড়েন গিলবার্তো মোরা। ১৭ বছর ৪০ দিন বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারই এবারের বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার।
৮৪ মিনিটে জোয়ানেও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে যন্ত্রণা আরো বাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার।
মনে হচ্ছিল, ১১ জনের মেক্সিকোর বিপরীতে ৯ জন নিয়ে খেলা শেষ করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কিন্তু এ দফায় কপাল পোড়ে স্বাগতিকদেরই। খুলিসো মুদাওকে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন মন্তেস।
তবে এতে ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব পড়েনি। জয়ের হাসি নিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে মেক্সিকো।











