মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।
পরীক্ষা-সংক্রান্ত কাজে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতা সংস্থার দায়ও নির্ধারণ করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। কোনো প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা করলে বা যোগসাজশে জড়িত হলে অর্থদণ্ড, লাইসেন্স স্থগিত, কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি কিংবা কালো তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
আইনে বলা হয়েছে, কোনো শিশু এ আইনের অধীনে অপরাধে জড়িত হলে তার বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত হবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এসব অপরাধকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগরের বাইরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এসব মামলার বিচার করবেন। বিচার কার্যক্রম ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতাও বেড়েছে। তাই পাবলিক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন সংশোধন জরুরি হয়ে পড়েছিল। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ ও ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, ডিজিটাল জালিয়াতিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান এবং সংঘবদ্ধ পরীক্ষা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ সংশোধিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।











