যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে বিপজ্জনক সুনামি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার কিছু উপকূলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে শূন্য দশমিক ৩ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ তৈরি হতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছে।
একটি নিয়মিত সরকারি সংবাদ সম্মেলনে মোরালেস বলেন, আপাতত বড় কোনো সমস্যা বা সামুদ্রিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির কারণে কিছু সমুদ্রসৈকতে পানির উচ্চতা বড়জোর আধা মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
মূল ভূমিকম্পের পর মেক্সিকো, গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরে বেশ কয়েকটি মৃদু ও মাঝারি মাত্রার পরাঘাত (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে।











