আবুধাবির গরমে লড়াইটা যেন একাই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান। একের পর এক সতীর্থের বিদায়ের মধ্যেও তিনি ব্যাট হাতে দৃঢ়তা দেখান, যেন পাহাড়সম ইনিংস গড়ার জেদ নিয়ে নেমেছেন। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন—কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাগ্য সঙ্গে দিল না।
বাংলাদেশি অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৪৪তম ওভারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে জাদরান ডাউন দ্য উইকেটে এগিয়ে মারলেন ছক্কা তুলতে। কিন্তু মাঝপথেই স্বপ্ন থামিয়ে দেন রিশাদ হোসেন—ডিপ মিডউইকেটে তার ক্ষিপ্রতায় তালুবন্দি হয় বলটি। ৯৫ রানে থেমে যায় জাদরানের দারুণ ইনিংস।
ছক্কা হলে হয়তো হাসি ফুটত মুখে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আক্ষেপই নিয়ে ফিরতে হয় তাঁকে। আফগান ড্রেসিংরুমেও নেমে আসে নীরবতা। জাদরানের ব্যাটে ভর করেই কোনো রকমে ১৯০ রানে থামে আফগানিস্তানের ইনিংস।
পুরো দল যখন বারবার ভেঙে পড়ছিল, তখন তিনিই ছিলেন ‘লোন ওয়ারিয়ার’। তাঁর ৯৫ রানের ইনিংস ছাড়া আফগান স্কোরবোর্ডে চোখে পড়ার মতো অবদান বলতে কেবল নবী ও গাজানফারের ২২ রানের দুটি ইনিংস।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ—দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন, দিয়েছেন মাত্র একটি মেডেন। দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব ও রিশাদ হোসেন।
এখন ম্যাচে ফিরতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯১ রান। প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে হারের পর এবার সমতায় ফেরার সুযোগ টাইগারদের সামনে। ব্যাট হাতে শান্ত, তৌহিদ, মিরাজদের দায়িত্ব থাকবে জাদরানের লড়াইকে ছাপিয়ে যাওয়ার।











